Back to Blogs

Appreciation! 📝

16 Jun, 2024•3 MIN READ
একটা লাস্ট ফোন কল কিংবা একটা লাস্ট মেসেজ...

এপ্রেসিয়েশন, স্যাক্রিফাইস, রেসপেক্ট... এই আশায় কতো রাত কেটে গেসে অজান্তেই... কল কিংবা ম্যাসেজ আর আসেনা ওই প্রান্ত থেকে, তারচেয়ে বরং এসবকে গ্রান্টেড ফিল করা কিংবা নিজেকে ইমপাওয়ারড ফিল করাতেই আনন্দ খুঁজে নেয় ওইপাশ... এসবের আফসোসে হতাশায় ধুঁকতে ধুঁকতে মরতে মরতে যখন‌ই উঠে দাঁড়ানোর মনস্থির হয়... স্রষ্টা কেন জানিনা আবার সেইম সাইকেলে কিংবা সেইম ট্র্যাপে নিয়ে রেখে দেয়... নিজেকে সামলে নিয়ে বলি, স্রষ্টা যা করেন ভালোর জন্যই করেন... কিন্তু এই যে সময়টা হারিয়ে গেলো, ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স না থাকা... নিজের এক্সিসটেন্স নিয়ে চিন্তা না থাকা, নিজেকে নিয়ে আক্ষেপ না থাকা... কোন দুশ্চিন্তা না থাকা ঐ দিনগুলা কেউ ফিরায়া দিবেন স্রষ্টা? কতো রঙ্গিন একটা সময়... এই জীবন, আশেপাশের হাসিখুশি বাঁচতে থাকা মানুষ... এসবের কনপেনসেশন হিসেবে স্রষ্টা কি লিখে রেখেছেন সেটা জানা হয় না, তবে বিশ্বাস টিকে থাকে... ঘুমানোর আগে সব একপাশে রেখে তার ভরসায় চোখ বুঝে দেই... ঘুম ভাঙ্গে, নিজেকে স্ট্রং আর ইমপাওয়ারড ফিল করিয়ে দিন কাটানোর চেষ্টা করি... তবে এই যে স্ট্রং হওয়ার বা দেখানোর সবচেয়ে প্যাথেটিক ব্যাপার কি জানেন? আমাদের কষ্ট দেয়ার সময় বা পরে মানুষের সামান্য গিল্টটুকুও হয় না। তাদের মনে হয় ও তো স্ট্রংই, সামলায় নিবে বা নিসে। মনে করে ও তো হাসতেসে, মজা করতেসে... ও মনে হয় মুভ অন করে ফেলসে ষ, কষ্টটা ভুলে গেসে। ইগো পাশে রেখে একটা কল বা ম্যাসেজ দিয়ে আস্ক করে না, আই ইউ ওকে? অথচ একটা শক্ত জিনিস হাত থেকে ফেলে দিলে সবচেয়ে বেশি টুকরো হয়, একটা সময় সেটা জোড়া দেওয়া গেলেও সেটা বার বার ফেললে ওই টুকরো এতো বেশি তছনছ হয় যে আর জোড়া দেওয়া যায় না... এইটুকু বোঝে না, কেউ না। তখন অজান্তেই বিশ্বাস করতে বাধ্য হ‌ই নশ্বর এই পৃথিবীতে টিকে থাকার জন্য মানুষ সবকিছু করতে পারে, সব।

কারো দেওয়া এইসব ইমোশনাল ড্যামেজ দিনশেষে আসলে শিখিয়ে দেয় জীবনের প্রতি মুহূর্তে নিজের উপর বিশ্বাস রাখা কতটা জরুরী। কষ্ট আসে, স্বপ্ন ভেঙে যাবে... কিন্তু নিজের ভেতরের আত্মার উপর মনোবলটা প্রবল করে ধরে রাখতে হয়। নতুন করে আবার স্বপ্ন বুনতে হয়... বিশাল আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিয়ে ভাবতে হবে- বাঁধা পাওয়া মানেই থেমে যাওয়া নয়। হোঁটচ খাওয়া মানেই ভেঙে পড়া নয়। বরং এক নিঃশ্বাসে মিন মিন আকাশের মতো জ্বলতে থাকা মায়া নামক ব্যাপারটাকে আকাশেই মিলিয়ে দিয়ে স্রষ্টার হিসেব নিকেশ মেনে নিয়ে এক্সপেক্টেশন নামক শব্দটাকে বাক্সবন্দী করে ফেলতে হয়... জন্ম মৃত্যুর মাঝখানে সেই বাক্সটা উপহার হিসেবে বরং তুমি মানুষটা আমার কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারতে... না নিয়ে এটা হয়তো তোমার সারাজীবনের আফসোস হবে, সময় বলে দিবে সেটা। আর এই যে এতো এতো ড্যামেজ, বাঁচার ইচ্ছে হারিয়ে ফেলেও বাঁচার চেষ্টা করতে থাকা... বেঁচে আসলে থাকতে হয়, শেষটা সুন্দর দেখার জন্যে... থাকলাম না হয় বেঁচে, বাঁচার মতো করে নাইবা বাঁচলাম... আল্লাহ ভরসা, জাজাকাল্লাহ খাইরান 🌸